ট্রাম্পের চাপে মোদীর মাথাব্যথা, দক্ষিণ এশিয়ায় কূটনৈতিক পালাবদলের ইঙ্গিত
- ভারতের ট্যারিফ ২৫%, পাকিস্তানের ১৯%, বাংলাদেশের ২০%
- রাশিয়ান তেল কিনলে ১০০% পেনাল্টি ট্যারিফের ঘোষণা; ভারতের জন্য হার এখনো নির্ধারিত নয়
- পাকিস্তানের সাথে বড় তেলচুক্তি, আর ভারতকে নাকি সেখান থেকেও তেল কিনতে হতে পারে—ঠাট্টা পর্যন্ত হয়েছে
- ভারতের ৭টি তেল কোম্পানি ও কিছু শিপিং কোম্পানিকে সরাসরি নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা
- মার্কিন সিনেটরদের মতে, ভারত রাশিয়া থেকে তেল কিনে ইউক্রেন যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করছে
এই চাপের কারণ অনেকের কাছেই পরিষ্কার নয়। সম্ভবত রাশিয়া-ইরানকে কোণঠাসা করতে ভারতকে মাঝখানে চেপে ধরা হচ্ছে।
এত চাপের মধ্যে ভারত যদি হঠাৎ পাকিস্তানকে লক্ষ্য করে বসে—তাও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
এদিকে কংগ্রেস এখন মোদী ও বিজেপিকে রীতিমতো ট্রল করছে।
এই অভ্যন্তরীণ সংকটে ভারত যত ব্যস্ত থাকবে, বাংলাদেশ নিয়ে তাদের হস্তক্ষেপও কমবে।
বাইডেন প্রশাসন যেভাবে দক্ষিণ এশিয়া নীতির ভার ভারতের উপর ছেড়ে দিয়েছিল—তা ভবিষ্যতেও উদাহরণ হয়ে থাকবে।
বাংলাদেশের সামনে এখন ৫-১০ বছরের এক দারুণ সুযোগ এসেছে—শর্ত একটাই: জাতীয় ঐক্য।
