চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সিলেট পর্বে বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগের কর্মকর্তাদের আচরণ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কয়েকজন ক্রিকেটারকে হয়রানির অভিযোগ উঠলেও বিষয়টি নিয়ে এতদিন প্রকাশ্যে কিছু বলেননি সাইফ হাসান। তবে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে এসে তিনি মুখ খুলে জানান, দুর্নীতি দমন বিভাগের ব্যবহার ছিল তার কাছে অসম্মানজনক।
এবারের বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের জার্সিতে খেলেছেন জাতীয় দলের এই ওপেনার। ইতোমধ্যেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে তার দল। ব্যাটিং পারফরম্যান্সও প্রত্যাশার সঙ্গে পুরোপুরি মেলেনি সাইফের। প্রথম আট ম্যাচে মাত্র ৬০ রান করলেও শেষ ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে ৭৩ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন তিনি।
সোমবার (১৮ জানুয়ারি) ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে দুর্নীতি দমন বিভাগের আচরণ প্রসঙ্গে সাইফ বলেন, শুরুতে রান না পাওয়ায় কর্মকর্তাদের সন্দেহ তৈরি হয়। তার ভাষায়, ‘প্রথম দুই-তিন ম্যাচে ভালো করতে না পারায় তারা মনে করেছে আমার পারফরম্যান্স আগের বছরের সঙ্গে মিলছে না। বিষয়টি তাদের কাছে স্বাভাবিক মনে হয়নি। হঠাৎ করে এসে প্রশ্নবাণ শুরু করে, যেটা আমার ভালো লাগেনি। এতে আমি মানসিকভাবে বিরক্ত হয়েছি।’
তিনি আরও জানান, ক্রিকেট খেলেন তিনি একান্তই ভালোবাসা থেকে, কোনো প্রভাবশালী পারিবারিক পটভূমি তার নেই। ‘এই ব্যাপারটা আমাকে ভীষণভাবে বিরক্ত করেছে। তবে দলের ম্যানেজমেন্ট সবসময় পাশে থেকেছে, এজন্য আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ,’ বলেন সাইফ।
মাঠে খেলা চলাকালীন ড্রেসিংরুমে এসেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সাইফ বলেন, ব্যাটিংয়ে নামার আগে কিছু জানানো হয়নি। হঠাৎ ড্রেসিংরুমে এসে জিজ্ঞেস করেছে—ব্যাটিংয়ে নামব কি না। এমনকি আগের দিন আমার রুমেও এসেছিল।
ঘটনাটিকে অপমানজনক উল্লেখ করে সাইফ বলেন, আমি যখন বিশ্রাম নিচ্ছি, তখন হুট করে চলে আসা সত্যিই বিস্ময়কর। গুরবাজ তখন ঘুমাচ্ছিল, সেখানেও তারা গেছে। অন্তত আগে জানানো উচিত ছিল। এভাবে হঠাৎ এসে প্রশ্ন করা খুবই অসম্মানজনক।
সূত্রঃ ইত্তেফাক
