সিফাতের গ্রেপ্তার ও তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়েরের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশি চিকিৎসক, গবেষক ও স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোক্তা ডা. তাসনিম জারা।
নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, সিফাতের ভাষা ভদ্র ছিল না—এটি নিয়ে বিতর্ক নেই। তবে তার প্রশ্ন, সিফাতকে কি কেবল অভদ্রতার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে, নাকি সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে?
তাসনিম জারা লেখেন, “তাহলে গালি দেওয়া কি সন্ত্রাস?” তাঁর দাবি, সিফাতের বক্তব্যের ধরন নিয়ে সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু এর সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্রয়োগের যৌক্তিকতা আলাদা বিষয়।
তিনি আরও বলেন, সিফাতের গ্রেপ্তারের বিরোধিতা করে যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখছেন, তাদের অনেকের মন্তব্যের ঘরেও গালাগাল দেখা যাচ্ছে। অথচ তারা নিজেদের ক্ষেত্রে একই ধরনের ভাষা ব্যবহারের পরও গ্রেপ্তারের আশঙ্কা করছেন না—এমন মন্তব্যও করেন তিনি।
পোস্টে তাসনিম জারা ব্যঙ্গাত্মকভাবে প্রশ্ন তোলেন, কোন ধরনের বক্তব্য, লেখা বা ছবি প্রকাশ করলে পুলিশ রাতের বেলা দরজায় আসবে না—এমন একটি তালিকা প্রকাশ করা হোক।
তিনি লেখেন, “সিফাতকে অবিলম্বে মুক্তি দিন। মামলা প্রত্যাহার করুন।” একই সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের যেসব ধারা ব্যবহার করা যেতে পারে, সেগুলো সংশোধনেরও দাবি জানান তিনি।
তাসনিম জারার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সিফাতের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার আইনগত ভিত্তি এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সীমা নিয়েও চলছে নানা মতামত ও বিতর্ক।
