এক সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে তিনটি এলএনজিবাহী ট্যাংকার ভিড়বে, যার একটি ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জলসীমায় পৌঁছেছে এবং বাকি দুটি আগামী বুধবারের মধ্যে আসার কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে এসব ট্যাংকারে প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে।
বন্দর সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) অস্ট্রেলিয়া থেকে ৬১ হাজার ৯৯৭ টন এলএনজি নিয়ে ‘এইচএল পাফিন’ নামের একটি ট্যাংকার কুতুবদিয়া উপকূলে পৌঁছেছে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকে ৬১ হাজার টন এলএনজি বহনকারী ‘নিউ ব্রেভ’ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘সেলসিয়াস গ্যালাপাগোস’ নামের আরও দুটি জাহাজ আগামী বুধবারের মধ্যে বন্দরে আসবে।
ট্যাংকার দুটির স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম জানান, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী জাহাজ দুটি পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশে মোট এলএনজি আমদানির প্রায় ৭০ শতাংশ কাতার থেকে আসে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে এই সরবরাহে কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে কাতার থেকে দুটি ট্যাংকার আসার কথা থাকলেও তা এখনো পৌঁছায়নি। এর মধ্যে একটি রাস লাফান বন্দর থেকে এলএনজিবোঝাই অবস্থায় আটকে রয়েছে।
এ পর্যন্ত চলতি মাসে সাতটি এলএনজিবাহী ট্যাংকার দেশে এসেছে, যেখানে সাধারণত প্রতি মাসে ১০ থেকে ১১টি ট্যাংকার আসে।
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা এলএনজি আমদানির দায়িত্বে রয়েছে। সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তবে হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনা থাকলেও আপাতত বড় ধরনের সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা নেই বলে তারা মনে করছেন।
সূত্রঃ ইত্তেফাক
